You are currently viewing ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক- সুবিধা-অসুবিধা

ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক- সুবিধা-অসুবিধা

ইন্টারনেটের এই যুগে জীবনে কখনো কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহার করেনি এমন মানুষ পাওয়া বেশ মুশকিল। অন্তত ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো ওয়েবসাইটগুলো আমরা কম-বেশী সবাই ব্যবহার করেছি। এই ওয়েবসাইটগুলোর সামনের ডিজাইন যতোই জাঁকজমকপূর্ণ  হোক না কেন তা কেবলই একটি নিষ্প্রাণ কাঠামো। একটি ওয়েবসাইটকে কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে যে কাজগুলো করতে হয় তা হলো ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। 

এ আর্টিক্যালে এমন কিছু ফ্রেমওয়ার্ক তুলে ধরা হয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে সহজেই একটি সচল ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব।

ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক কী?

আমরা ইন্টারনেটে যা কিছু আমাদের চোখের সামনে দেখতে পাই, তার সবকিছুই ওয়েব ডেভেলপমেন্টের ফ্রন্ট-এন্ড এর কীর্তি। কিন্তু এটা পুরো ওয়েবসাইট জগতের ক্ষুদ্র একটি অংশ মাত্র। 

এক একটি ওয়েবসাইট বিভিন্ন সার্ভারের সাথে অসংখ্য তথ্য আদানপ্রদান করে। এমনকি একদম সাধারণ একটা ওয়েবসাইটেও আমরা নানান প্রয়োজনে নিজেদের অজান্তেই কোনো না কোনো সার্ভার ব্যবহার করি। এই সার্ভার কিন্তু নিজেই একটা আস্ত কম্পিউটার, ঠিক যেমনটা আমরা হয়তো ব্রাউজিং এর জন্য ব্যবহার করছি। কিন্তু এই কম্পিউটার শুধু নির্দিষ্ট কিছু কাজ করার ক্ষমতা রাখে, তাই এর না আছে মাউস, আর না আছে কি-বোর্ড। এটি হয়ত সংরক্ষিত আছে কোন এক তথ্য ভান্ডারে।

এ ধরনের কম্পিউটারকে বিশেষ উপায়ে প্রোগ্রাম করার নামই ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। আর তাদের ডেভেলপমেন্ট এর মত দুরূহ কাজকে সহজ করতেই তৈরি করা হয়েছে নানান ফ্রেমওয়ার্ক। এগুলো মূলত সার্ভার ভিত্তিক ওয়েব ফ্রেম ওয়ার্ক যা ওয়েবসাইটকে ডাইনামিক করতে আগে থেকে তৈরি করে রাখা ফিচার ব্যবহারের সুযোগ দেয়। এতে করে বিগিনাররাও এসব ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে সহজে এবং দ্রুত ওয়েবসাইট এর ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ করতে পারে। এক কথায় বলা যায়, এ ফ্রেমওয়ার্কগুলো নানান ফিচারযুক্ত একটি প্ল্যাটফর্ম, যা দ্বারা খুব সহজেই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করা সম্ভব।

ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক কেন শিখব?

একটি ওয়েবসাইটকে সচল রাখতে যা যা করতে হয়, তার সবই ব্যাক এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর কাজ। আমরা যখন একটি ওয়েবসাইট ভিজিট করি, আমরা কখনোই পুরোপুরিভাবে ব্যাক-এন্ড ব্যবহার করিনা। বরং আমরা কেবল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সার্ভার ব্যবহার করি যার সম্পূর্ণ এক্সেস কেবল ব্যাক-এন্ড ডেভেলপারদের হাতেই থাকে। 

ব্যাক এন্ড ডেভেলপারদের লেখা কোড সার্ভারে রান হয়। এমনকি মোবাইল ফোনে যে সকল ওয়েব এপ্লিকেশন ব্যবহার করা হয়, তাদের এপিআই এর কোড লেখাও ব্যাক-এন্ড ডেভেলপারদেরই দায়িত্ব।

বর্তমানে এমন ওয়েবসাইট প্রায় নেই বললেই চলে যা বিশাল তথ্যভাণ্ডার নিয়ে কাজ করে না। এমনকি ছোট একটি কোম্পানির ওয়েবসাইটকেও দৈনিক শতখানেক ডাটা নিয়ে কাজ করতে হয়। একটি ওয়েবসাইট যদি ডেটা গ্রহণ বা আদান প্রদান করতেই না পারে, তাহলে তাকে এখনকার যুগে একটি অচল ওয়েবসাইট হিসেবেই ধরা হয়। 

কেবল ব্যাক-এন্ড এর কাজ একটি ওয়েবসাইটে প্রাণবন্ততার যোগান দেয় এবং একে সচল করে তোলে। এসব থেকে আমরা সহজেই আন্দাজ করতে পারি যে ওয়েবসাইট এর জগতে ব্যাক এন্ড ডেভেলপারদের চাহিদা কত বেশী।

ব্যাক-এন্ড এর কাজ কিন্তু খুব একটা সহজ নয়। ওয়েবসাইটের ব্যাক-এন্ড ডেভেলপ করতে যথেষ্ট জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কেবলমাত্র Raw code দিয়ে ব্যাক এন্ড এর কাজ করাটা যেমন কষ্টসাধ্য, তেমনি সে কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কারো পক্ষে সে কোড বোঝাটা আরো কষ্টকর। কিন্তু এই ফ্রেমওয়ার্ক গুলো ব্যবহার করে কোডের খুঁটিনাটি না ঘাটিয়েই সহজেই ব্যাক-এন্ড এর কাজ করা সম্ভব। তাই কেবল এই ফ্রেমওয়ার্কগুলোর বেসিক জ্ঞান থাকলেই আপনার ব্যাক এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর জগতে অনুপ্রবেশের পথ সুগম হতে পারে।

জনপ্রিয় কিছু ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক ও তাদের সুবিধা - অসুবিধা

জনপ্রিয় কিছু ফ্রেমওয়ার্ক ও তাদের সুবিধা - অসুবিধা

পিএইচপি (php)

পিএইচপি মূলত একটি সার্ভার ভিত্তিক স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা ব্যাক-এন্ড ডেভেলপারদের ডাইনামিক ওয়েবসাইট বানানোর সুযোগ করে দেয়। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে সহজেই ডাটাবেজ এর সাথে ইন্টারেক্টিভ ওয়েবসাইটগুলো তৈরী করা যায়। বেশীরভাগ ওয়েবসাইট গুলোই আজকাল হয় ব্রাউজার এর তথ্য ইনপুট চায়, অথবা ব্রাউজার কে কোনো তথ্য আউটপুট হিসেবে প্রদান করে। এধরনের ওয়েবসাইটগুলো বেশ জনপ্রিয় এবং সহজেই ব্যবহার্য।

পিএইচপি অনেক রকমের জনপ্রিয় ডাটাবেজ এর সাথে কাজ করার সুযোগ প্রদান করে। এর মধ্যে অন্যতম হল : মাইএসকিউএল, পোস্টগ্রেএসকিউএল, ওরাকল, সাইবেজ, ইনফরমিক্স, মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার ইত্যাদি। 

এর সিনট্যাক্স প্রায় সি ল্যাঙ্গুয়েজ এর মত হওয়ায় ব্যবহারে তেমন অসুবিধা পোহাতে হয় না। এর সাহায্যে সহজেই ফাইল তৈরি করা যায়, খোলা যায়, পড়া যায় এবং কাজ শেষে বন্ধ করা যায়। সেশন বা কুকিজ এর বিভিন্ন কাজও খুব সহজে করা যায়।

পিএইচপি - এর সুবিধাঃ

  • ল্যাঙ্গুয়েজ সিনট্যাক্স প্রায় সি এর মত ‌তাই সবরকমের ডাটাবেজ এর সহজ এক্সেস প্রদান করতে পারে 
  • ‌পিওপি৩, IMAP এর মত অসংখ্য প্রোটকল সাপোর্ট করে 
  • ‌সেশন এবং কুকিজ এর সুবিধা প্রদান করে 
  • ‌সহজে ব্যবহার উপযোগী 
  • ‌অনেক ধরনের ফিচার 
  • ‌খুবই পরিচিত এবং জনপ্রিয় বলে এর টিউটোরিয়াল বা রিসোর্স অনেক বেশী 
  • ‌এইচটিএমেল এর সাথে খুবই মানানসই 
  • ‌খুবই কম খরচে হোস্টিং সার্ভিস সুবিধা পাওয়া যায়

পিএইচপি - এর অসুবিধাঃ

  • ‌ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য আরো অনেক সহজ ভাষা প্রতিনিয়ত আবিষ্কার হওয়ায় এটি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে
  • ‌বর্তমানে মেশিন লার্নিং এর প্রসারের যে উত্থানকাল চলছে। তার সাথে তাল মেলাতে যেসব আধুনিক লাইব্রেরি সুবিধার প্রয়োজন (যেমন : টেন্সর ফ্লো, কেরাস ইত্যাদি) তাদের প্রায় কোনটাই পিএইচপি প্রদান করতে পারে না
  • ‌যেহেতু পিএইচপি বহুল প্রচলিত, এবং এর প্রায় সব কোড খুব সহজেই পাওয়া যায়, এটি হ্যাকারদের অনুপ্রবেশে তেমন বাধা প্রদান করতে পারে না। তাই সিকিউরিটি অনেক কম
পিএইচপি ওয়েবসাইটের উদাহরণ:

এএসপি.নেট (ASP.net)

এই ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্কটি বর্তমান সময়ে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এটি  মূলত মাইক্রোসফট.নেট প্ল্যাটফর্ম এর একটি অংশ। এটি ব্যাপক সফটওয়্যার এর ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রদান, প্রোগ্রামিং মডেল প্রদান সহ আরো অনেক বিশেষ সুবিধা প্রদান করে। তাই যেকোনো শক্তিশালী ওয়েব আপ্লিকেশন তৈরী করতে এএসপি.নেট খুবই কার্যকর। ফ্রেমওয়ার্কটি ওয়েবসাইট জগতের সেরা সব এইচটিটিপি প্রোটকল নিয়ে কাজ করায় সব রকমের কমান্ড ব্রাউজার টু সার্ভার ভিত্তিক সুবিধা প্রদানে সক্ষম।

এই এপ্লিকেশন এ কিছু আগে থেকে কম্পাইল করা কোড থাকে। অর্থাৎ পুনরায় ব্যবহার্য সকল কোড ফ্রেমওয়ার্কটিতে আগেই দেয়া থাকে। তাই ব্যাক এন্ড ডেভেলপারকে এ কোড গুলো প্রতিবার নতুন করে লিখতে হয় না। এএসপি.নেট দিয়ে মূলত চারটি ল্যাঙ্গুয়েজে কোড লেখা যায়। এগুলো হল :

১) সি শার্প

২) ভিজুয়াল বেসিক.নেট

৩) জাভা স্ক্রিপ্ট এবং

৪) জে শার্প

ফ্রেমওয়ার্কটি ব্যবহার করে সহজে ও অল্প সময়ে, ইন্টারেকটিভ এবং সচল ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব।

এএসপি.নেট এর সুবিধাঃ

  • এর সাহায্যে ওয়েব আপ্লিকেশন্স তৈরী করা খুবই সহজ 
  • ‌একবার কোড লিখে সেটিকে বারবার ইচ্ছামত ব্যবহার করার জন্য বেশ উপকারী 
  • ‌এর সিকিউরিটি অন্যান্য ফ্রেমওয়ার্ক এর থেকে অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী
  • ‌মাইক্রোসফট এর সব এপ্লিকেশনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ 
  • ‌সহজবোধ্য

এএসপি.নেট এর অসুবিধাঃ

  • নতুন ভার্সনগুলো পুরোনো ভার্সন এর সাথে সামঞ্জস্যহীন 
  • ‌এর ওয়েবসাইটে মাইক্রোসফট ব্যতীত অন্য কিছু ইন্টিগ্রেশন করা খুবই কঠিন 
  • ‌মেশিন লার্নিং এর জন্য বহুল প্রচলিত পাইথন দিয়ে কোড না করে সি শার্প শিখতে হয়, যা খুবই অপ্রচলিত
এএসপি.নেট ওয়েবসাইটের উদাহরণ:

জ্যাংগো (Django)

এটি পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ভিত্তিক ওয়েব এপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক। এতে ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য যত রকমের জনপ্রিয় ফাংশনালিটি দরকার, তার প্রায় প্রতিটিই পাওয়া যায়। 

অন্যান্য ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য প্রায়ই আলাদা লাইব্রেরির ঝামেলা পোহাতে হলেও জ্যাংগো এর ক্ষেত্রে এমন কোন ঝামেলা নেই। কারণ সব লাইব্রেরির ফিচার এতে আগে থেকেই দেয়া থাকে। অর্থাৎ কেউ জ্যাংগো এর ব্যবহার শিখলে সহজে ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল লাইব্রেরি ফিচার ব্যবহার করতে পারবে। জ্যাংগো এর কমিউনিটি দিন দিন প্রসারিত হওয়ায় আজকাল খুব সহজেই এর টিউটোরিয়াল এবং কোড খুঁজে পাওয়া যায়।

জ্যাংগো এর সুবিধাঃ

  • পুনরায় ব্যবহার্য কোড আগে থেকেই দেয়া থাকে, তাই ডেভেলপারদের নতুন করে কোড লিখতে হয়না
  • বিভিন্ন লাইব্রেরি প্যাকেজ আগে থেকেই বিল্ট-ইন থাকায় নতুন প্যাকেজ ইন্সটল করতে হয় না
  • যেহেতু পাইথন এ লিখা হয়, তাই প্রায় সকল ল্যাংগুয়েজ এর কোডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ
  • পাইথন এর কারণে জ্যাংগো এর সাথে মেশিন লার্নিং এর কাজ ইন্টিগ্রেট করা খুবই সহজ
  • মেশিন লার্নিং এর জন্য প্রয়োজনীয় ও শক্তিশালী সব লাইব্রেরির ( যেমন : পাইটর্চ, নামপাই ইত্যাদি ) সাথে পুরোপুরিভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ

জ্যাংগো এর অসুবিধাঃ

  • ল্যাঙ্গুয়েজ পাইথন ভিত্তিক হওয়ায় অনেক ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপার এর জন্য এটি শেখা অনেক বেশ কঠিন হয়ে যায় 
  • অন্যান্য ফ্রেমওয়ার্ক থেকে অনেক আলাদা হওয়ায়, অন্য ফ্রেমওয়ার্ক এর কাজের সাথে সহজে ইন্টিগ্রেট করা যায় না
  • পাইথন ল্যাঙ্গুয়েজ কিছুটা ধীরগতির হওয়ায়, আনঅপটিমাইজড ওয়েবসাইট তৈরি করতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়
জ্যাংগো ওয়েবসাইটের উদাহরণ:

নোড জেএস (Node.js)

নোড জেএস মূলত গুগল ক্রোম এর জাভাস্ক্রিপ্ট ভিত্তিক একটি ফ্রেমওয়ার্ক। সার্ভার ভিত্তিক যে কোন অ্যাপ্লিকেশন বানানোর জন্য এটি খুবই কার্যকর প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। এর একটি বিস্তৃত লাইব্রেরি রয়েছে, যা ব্যবহার করে সহজেই উইন্ডোজ, লিনাক্স সবখানেই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করা সম্ভব। 

এই অ্যাপ্লিকেশনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল এতে কোন ডাটা বাফার হয় না। এমনকি ডাটা রিটার্ন করতে এপিআই এর অপেক্ষাও করতে হয়না। তাই এটি অন্যান্য ফ্রেমওয়ার্ক এর তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে। অর্থাৎ এর সাহায্যে সহজে এবং স্বল্প সময়ে ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব।

নোড জেএস এর সুবিধাঃ

  • ব্যপক পরিমাণ ফ্রি টুলস প্রদান করে
  • কোন বাফার নেই
  • পুনরায় ব্যবহার্য কোড প্রদান করে
  • খুবই দ্রুত প্রসেসিং করতে পারে
  • ডাটা রিটার্ন  এর এপিআই এর উপর নির্ভরশীল নয়

নোড জেএস এর অসুবিধাঃ

  • বড় রিকুয়েস্ট এর ক্ষেত্রে কম্পিউটেশন টাস্ক অনেক দেরীতে সম্পন্ন হয়
  • নেস্টেড কলব্যাকস এর কারণে টাস্ক রান করতে অনেক দেরি হয়ে যায়।
  • কিছু টুলিং ডকুমেন্টেশন এখনো সুপ্রতিষ্ঠিত নয়।
নোড জেএস ওয়েবসাইটের উদাহরণঃ

লারাভেল (Laravel)

লারাভেল একটি পিএইচপি ভিত্তিক ফ্রেমওয়ার্ক হওয়ায় সহজেই যেকোনো পিএইচপি ভিত্তিক প্রজেক্টের সাথে ইন্টিগ্রেট করা যায়। এটি মডেল ভিউ কন্ট্রলার ডিজাইন প্যাটার্ন অনুসরণ করে এবং অন্যান্য ফ্রেমওয়ার্কের মতো পুনরায় ব্যবহার্য কোড ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করে।

তাই এটি পিএইচপি, রুবি ইত্যাদি আরো অনেক ফ্রেমওয়ার্কের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। 

পিএইচপি অনেক সহজ এবং বহুল প্রচলিত একটি প্ল্যাটফর্ম, তাই ফ্রেমওয়ার্কটি খুব কম সময়ের মাঝেই ইউজারের আয়ত্ত্বে চলে আসে। এর বিল্ট-ইন সিকিউরিটি সুবিধাও রয়ে

লারাভেল এর সুবিধাঃ

  • পিএইচপি ভিত্তিক ফ্রেমওয়ার্ক
  • প্রায় অন্য সব ফ্রেমওয়ার্ক এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সরল এবং খুব সহজে শেখা যায় 
  • এমভিসি ফ্রেমওয়ার্ক হওয়ায় পিএইচপি এবং এইচটিএমএল কোড একই ফাইলে লেখা যায় 
  • বিল্ট-ইন সিকিউরিটি থাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত হ্যাক থেকে সুরক্ষা প্রদান করে

লারাভেল এর অসুবিধাঃ

  • জ্যাংগো বা এ ধরনের অন্যান্য জটিল ফ্রেমওয়ার্ক এর সাথে মানানসই নয় 
  • ডকুমেন্টেশন কম হওয়ায় কোড সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না
লারাভেল ওয়েবসাইটের উদাহরণঃ

পৃথিবী জুড়ে ইন্টারনেটের ব্যবহার যতো বাড়ছে, ঠিক ততোই বাড়ছে ওয়েবসাইটের সংখ্যা। আর এসব ওয়েবসাইটের বিপুল চাহিদা মেটাতে তৈরী হচ্ছে অসংখ্য ফ্রেমওয়ার্ক। উপরে আলোচিত ব্যাক এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্কের মাঝে কোন ফ্রেমওয়ার্কটি সবচেয়ে ভালো তা বলা খুবই কঠিন।

আশা করি আর্টিকেলটি নতুন করে ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ শুরু করা ডেভেলপারদের ফ্রেমওয়ার্কগুলো ব্যবহারে উৎসাহী করে তুলবে। পরবর্তীতে হয়তো ব্যবহারের মাধ্যমে আপনারা জন্য সঠিক ফ্রেমওয়ার্কটি খুঁজে নিতে পারবেন।

2.3 3 votes
Article Rating
Rate This Article
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments